Uncategorized

মেথির উপকারিতা এবং মেথি খাওয়ার সঠিক নিয়ম জানা খুবই গুরুত্বপূর্ণ

কথায় বলে প্রতিদিন ‘একটি আপেল দূরে রাখে ডাক্তারকে’। এই প্রবাদের প্রবক্তার যদি মেথির সাথে পরিচয় থাকতো এবং ক্ষুদ্র এক দানা মেথির উপকারিতা জানতেন তবে আজ আমরা হয়তো আপেলের বদলে মেথির নাম পড়তাম। যাই হোক নামে কি বা আসে যায়।

পশ্চিম এশিয়া বিশেষত ভারত এবং উত্তর আফ্রিকা হতে আসা এই শস্যের রয়েছে চমৎকার সব ঔষধি গুণাগুণ এবং মশলা হিসেবেও এর জুড়ি মেলা ভার।

এই লেখার বিষয়বস্তু সমূহ:

ইতিহাস

মেথির জন্মভুমির কথা জানা গেলেও এর পূর্ব পুরুষ অর্থাৎ ট্রাইগোনেলা বংশের কোন জাত থেকে মেথির উদ্ভব তা ঠিক জানা যায় নি।

এসব তথ্যের সন্ধান না মিললেও ঠিক কবে থেকে মেথির ব্যবহার তা কিন্তু মোটামুটি আন্দাজ করা গিয়েছে। বেশ আগে, সেই জিশুখ্রিস্টের জন্মের হাজার চারেক পূর্বে ইরাকের ‘তেল হালাল’ শহরে মেথি ব্যবহার হতো বলে প্রমাণ মিলেছে।

এছাড়া ব্রোঞ্জ যুগে ‘লাচিস’ নামক ইজরায়েলি শহরে কিংবা পরবর্তীতে তুতেনখামের কবরে মেথির সন্ধান অথবা রোমানদের মদের স্বাদ বৃদ্ধিতে ব্যবহার এর সমৃদ্ধ ইতিহাসকেই আর ঋদ্ধ করেছে।

মেথির প্রাচীন ব্যবহার 

মেথি প্রাচীনকাল থেকেই এর গুণাগুণ সম্পর্কে স্বীকৃত। এমনকি প্রাচীনকালে এটিকে দুধের বিকল্প হিসেবে গণ্য করা হতো

এছাড়া মাসিক সংক্রান্ত সমস্যা, প্রদাহ, ডায়াবেটিসহ মানুষের যে কোনো ব্যাধি’র দাওয়াই হিসেবে মেথি থাকত তৎকালীন চিকিৎসকদের পছন্দের শীর্ষে।

পুষ্টি উপাদান 

কি নেই মেথিতে, বলুন তো? এতে রয়েছে- ভিটামিন কে, থায়ামিন, ফোলিক এ্যসিড, রাইবোফ্লাভিন, নিয়াসিন, ভিটামিন এ, বি ৬।

খনিজের মধ্যে রয়েছে- কপার, পটাসিয়াম, ক্যালসিয়াম, আয়রন, সেলেনিয়াম, জিঙ্ক, ম্যাঙ্গানিজ ও ম্যাগনেশিয়াম।

১০০ গ্রাম মেথিতে ৩২৩ কিলোক্যালোরি থাকে। এছাড়া এতে থাকা মূল উপাদানগুলি হলো,

পানি                                        ৯%

প্রোটিন                                  ২৩%

ফাইবার                                 ৩৪%

কার্বোহাইড্রেট                          ৫৮%

চর্বি                                           ৬%

ক্যালসিয়াম                              ৪০% (প্রাত্যহিক প্রয়োজনের)

ম্যাঙ্গানিজ                                ৫৯% (প্রাত্যহিক প্রয়োজনের)

আয়রন                                  ২৬২% (প্রাত্যহিক প্রয়োজনের)

উপকার 

এবার আসি আসল কথায়। এতসব পুষ্টি উপাদান সমৃদ্ধ মেথিতে আসলে কোন উপকার নেই তা-ই বরঞ্চ আলোচনা করা অধিকতর সহজ।

মেথি,

১.ডায়াবেটিস প্রতিরোধে সাহায্য করে:

মেথির মধ্যে থাকা এ্যমিনো এ্যসিড রক্তের গ্লুকোজকে ভাঙতে সাহায্য করে। এতে করে টাইপ-২ ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমে যায়।

‘আয়ু’ নামের একটি জার্নালে ২০১৭ সালের এক সমীক্ষায় দেখা যায়, মেথি এবং ডায়াবেটিসের ঔষধ সেবনকারী ব্যাক্তিরা তুলনামূলকভাবে শুধু ডায়াবেটিসের ঔষধ সেবনকারীদের তুলনায় ভালো ফল পেয়েছেন। তারা মাত্র ৫ মাসেই ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে উল্লেখযোগ্য সাফল্য পেয়েছেন।

২.কোষ্ঠকাঠিন্যে সমস্যা দূর করে:

মেথিতে থাকা ৩৪% ফাইবার বা আঁশ হজমে সহায়তা করে যার ফলশ্রুতিতে কোষ্ঠকাঠিন্য এবং পীড়াদায়ক পাইলস হতে মুক্তি পাওয়া সম্ভব হয়।

৩.ত্বকের লাবন্য ফিরিয়ে আনে:

মেথিতে থাকা এন্টি-ব্যাক্টেরিয়াল উপাদান ত্বকের গভীরে পৌছে নিশ্চিত করে গভীর এবং উজ্জ্বল ত্বক। এটি ত্বকের বলিরেখা তৈরিকারক ক্ষতিকর উপাদানসমূহ দূর করে আপনাকে এনে দিবে পূর্নিমা কিংবা জয়া আহসানের মত ত্বক।

মেথি পেস্ট করে মুখে মাখলে ব্রণ এবং ব্রণের দাগ হতে পুরোপুরি মুক্তি পাওয়া সম্ভব।

৪.যৌনক্ষমতা বৃদ্ধিতে সহায়ক: 

মেথির রসে সাপোনিস বা ডাইওসজেনিন নামক একধরনের পদার্থ থাকে যা মানবদেহের হরমোন স্তরের পরিবর্তন নিয়ন্ত্রণ করে।

এই পদার্থ পুরুষদের দেহে প্রয়োজনীয় টেস্টোস্টেরন বৃদ্ধি করে যার ফলে যৌন দূর্বলতা হতে মুক্তি ত্বরান্বিত হয়। মেথি নারীদেরও যৌন ক্ষমতা বৃদ্ধিতে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে।

৫.স্থুলতা কমাতে সাহায্য করে: 

মেথি ক্ষিধে কমিয়ে দেয়। যার ফলে পরিমিত খাদ্য গ্রহণেই তৃপ্তিবোধ হয়।

অতিরিক্ত খাদ্যগ্রহনের ইচ্ছে দমে যাওয়ায় শরীরে বাড়তি মেদ জমতে পারে না এবং ওজন ও কমে যায়।

৬.চুলের সমস্যার জাদুকরী সমাধান:

নারিকেল তেলের সাথে আমলকি কুচানো এবং মেথি দানা ১০ মিনিট গরম করে নিন। এরপরে ঠান্ডা হলে সংরক্ষণ করুন। এই তেল মাথার তালুর ব্যাকটেরিয়া বা ফাঙ্গাসের জন্য দারুন টোটকা।

এছাড়া মেথি চুলের গোড়া শক্ত করে, চুলের খুসকি এবং উকুন দূর করে, এবং চুলকে সিল্কি করে।

৭.মাসিকের ব্যাথা দূর করে:

মাসিকের সময়ে ইউটেরাস বা জরায়ুতে মৃত কোষগুলি বৃদ্ধি পেতে শুরু করে যা প্রতিটি মেয়ের শারীরিক এবং মানসিক কষ্টকে তীব্র করে।

ঋতুস্রাবের সময়ে মেথি এই ব্যথাকে দূর করে।

৮.কিডনির কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি করে:

মেথি শরীরের এন্টিএক্সিডেন্ট সুরক্ষার মাত্রা বৃদ্ধি করে রেনাল টিস্যুতে ক্যালসিফিকেশন হৃাস করে। এছাড়া এটি লিপিড পার অক্সিডেসন বাধা সহ অক্সিডেটিভ স্ট্রেস ডিসপ্লে হৃাস করে কিডনির কার্যকারীতা বাড়ায়।

৯.বাতের ব্যথা কমায়:

মেথিতে রয়েছে উল্লেখযোগ্য পরিমাণের লিনোলেনিক এসিড এবং লিনোলেনিক যা দেহের প্রদাহ কমাতে কার্যকরী ভূমিকা রাখে।

গবেষকরা ইস্ট্রোজেন রিপ্লেসমেন্ট থেরাপিতে মেথির ব্যবহার গুরুত্বপূর্ণ বলে জানিয়েছেন। আর্থ্রাইটিস রোগেও মেথি কার্যকরী।

১০. বুকের দুধ বাড়ায়:

পর্যাপ্ত মাতৃদুগ্ধ উৎপাদন আজকাল মায়েদের অন্যতম চিন্তার কারণ।

বেশ কিছু প্রতিবেদনে দেখা গিয়েছে খাদ্য বা খাদ্য পরিপূরক হিসেবে মেথি গ্রহণ মায়েদের দুগ্ধ উৎপাদনের পরিমাণ বাড়ায়।

১১.ক্যান্সার প্রতিরোধী:

দেহের থাকা বিভিন্ন সেলুলার পথগুলি যেমন জ্যাক-স্ট্যাট সিগন্যালিং, এম এফ কে সিগন্যালিং কে ক্যান্সারের আনবিক প্রান্তগুলি বৃদ্ধি অথবা ধ্বংস করে। আর মেথি দেহ অভ্যান্তরে এই আণবিক পথগুলিকে সঠিকভাবে নিয়ন্ত্রণে রাখে।

এছাড়া মেথিতে উপস্থিত ট্রাইগ্লিসারাইড এস্ট্রোজেন গ্রহণকারী মডিউলেটর হিসেবে ক্যান্সার কোষ ধ্বংসে ভূমিকা রাখে।

১২. কৃমি রোধকরণ:

মেথি সারারাত ভিজিয়ে রেখে সকালে সেই পানি পান করলে অথবা সকালে খালি পেটে মেথি চিবিয়ে খেলে শরীরের অভ্যান্তরের বিভিন্ন রোগ-জীবাণু এবং কৃমি ধ্বংস হয়ে যায়।

১৩.এসিডিটি হতে মুক্তি:

মেথিতে থাকা ফাইবারসহ নানা খনিজ পদার্থ খাবার হজম প্রকিয়াকে সহজ করে। ফলস্বরূপ এসিডিটি আর জ্বালাপোড়া হতে মুক্তি পাওয়া যায়।

১৪.কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে ভুমিকা রাখে:

একটি সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে যে, মেথি ১০-১৬ শতাংশ পর্যন্ত কোলেস্টেরল কমায়।

মেথি বিজে থাকা ভিটামিন এ কোলেস্টেরল এবং ট্রাইগ্লিসারাইড কমাতে সাহায্য করে। এতে থাকা এন্টি এক্সিডেন্ট এন্টিবায়োটিক হিসেবে কাজ করে খারাপ কোলেস্টেরল কমাতে সাহায্য করে। এছাড়া এতে উপস্থিত স্টেরিওডাল সেপোনিনস নামক উপাদানও শরীরের কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে সহযোগী।

মেথি ব্যবহারের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া

মেথির অসংখ্য উপকারের পাশাপাশি কিছু পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ও রয়েছে যা এর সেবনকারীদের জানা অতীব গুরুত্বপূর্ণ।

১. বমির উদ্রেক করে:

মেথির তিতকুটে স্বাদ মাঝেমধ্যে পাকস্থলীর উপর বিরূপ প্রভাব ফেলে। যার ফলশ্রুতিতে এটি সেবনকারীর বমির উদ্রেক হতে পারে।

২.রক্তের জমাট বাঁধতে সমস্যার সৃষ্টি করে:

মেথিতে থাকা কিছু উপাদান রক্তকে জমাট বাঁধতে দেয় না। তাই ক্ষতস্থান থেকে স্বাভাবিকের তুলনায় বেশী রক্ত বের হয়ে যাবার আশংকা থাকে।

এছাড়া যাদের রক্ত পাতলা তাদের চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী পরিমিত মেথি সেবন করা উচিত।

৩.রক্তে চিনির পরিমাণ কমায়:

মেথিতে থাকা এ্যমিনো এসিড রক্তের গ্লুকোজ বা চিনিকে ভেঙে ফেলে। একটি নির্দিষ্ট মাত্রা পর্যন্ত এটি শরীরের জন্যে উপকারী হলেও রক্তে চিনির পরিমাণ বেশী কমে যাওয়া ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য বিপদজনক।

এতে করে জ্ঞান হারানো এমনকি মৃত্যুঝুঁকিও রয়েছে।

৪.গর্ভপাতের ঝুঁকি বাড়ায়:

মেথিতে উপস্থিত সাইটো ইস্ট্রোজেন প্রোলাকটিন নামক পদার্থ হরমোনের মাত্রার বৃদ্ধি ঘটায়। যার কারণে অতিরিক্ত মেথি সেবন মিসক্যারেজ অথবা অপরিণত সন্তান জন্মদানের মত সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে।

৫.রুচির উপরে প্রভাব ফেলে:

মেথির উগ্র তিতকুটে ভাব খাবারের প্রতি বিতৃষ্ণা অনুভব করায়। ফলে এর সেবনকারীর প্রয়োজনীয় খাদ্য গ্রহণে অনীহা আসে।

৬.এ্যালার্জি এবং ডায়রিয়া হবার সম্ভাবনা সৃষ্টি করে:

যাদের এ্যালার্জির সমস্যা রয়েছে তাদের মেথি পরিমিত পরিমানে গ্রহণ করতে হবে। কেননা মেথি এ্যালার্জির একটি প্রভাবক হিসেবে কাজ করে।

এছাড়া অতিরিক্ত মেথি সেবন পাকস্থলীর উপরে ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে যার দরুন ডায়রিয়া হতে পারে।

৭.ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ায়:

মেথি সার্বিকভাবে ক্যান্সারের ঝুঁকি কমালেও জিন PLHH পরিবর্তনের কারণে জিনগত ক্যান্সারের ঝুঁকি থাকলে মেথি এড়িয়ে চলা আবশ্যক।

এছাড়া পাইনাব্লাস্টোমার কারণে কার্বোপ্ল্যাটিনের চিকিৎসাতেও মেথি ব্যবহারে বিরত থাকতে হয়।

মেথি দিয়ে তৈরি কিছু সুস্বাদু খাবার

মেথির ঔষধি দিক আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকায় সাধারণত ঢাকা পড়ে যায় মশলা হিসেবে এর ব্যবহারিতা।

মেথি শাক

উপকরণসমূহ:

মেথি শাক ৩০০ গ্রাম

বেগুন ১ টি

পিঁয়াজ ১ টি মাঝারি

রসুন বাটা ১ চা চামচ

কাঁচা মরিচ ৩-৪ টি

গুড়ো মরিচ ১ চা চামচ

মেথি ১ চা চামচ

সরিষার তেল ২ টেবিল চামচ

হলুদ গুঁড়া ১/২ চা চামচ

জিরার গুঁড়া ১/২ চা চামচ

লবন পরিমাণমত

রন্ধনপ্রণালী:

প্রথমে শাক গুলি মিহি করে বেগুন টুকরো করে কেটে নিতে হবে। এরপরে চুলায় তেল ঢেলে তাতে মেথি গুঁড়া ভাজতে হবে পোড়া পোড়া হওয়া পর্যন্ত। তারপর তাতে পিঁয়াজ এবং কাঁচা মরিচ ফেলে বেগুন দিতে হবে। একে একে হলুদ, গুঁড়ো মরিচ, লবন, রসুন বাটা, জিরা গুঁড়া ইত্যাদি দিয়ে কসিয়ে ঢেকে দিতে হবে।

কিছুক্ষণ পরে মেথি শাক মিশিয়ে হালকা ভাজা হয়ে এলে পানি দিয়ে সিদ্ধ এবং ঝোল আসার অপেক্ষা করতে হবে।

এবার সাজিয়ে ভাতের সাথে পরিবেশন করতে হবে।

মেথি মালাই চিকেন

উপকরণসমূহ:

মুরগী ৫০০ গ্রাম

কাজুবাদাম ৫০ গ্রাম

কাঠবাদাম ৫০ গ্রাম

কিসমিস ৩০ গ্রাম

পিঁয়াজ বাটা  ১০০ গ্রাম

লবন পরিমাণমত

হলুদ ৪ চা চামচ

আদা-রসুন পেস্ট ৮০ গ্রাম

গুড়া মরিচ ২ চা চামচ

টক দই ২৫০ গ্রাম

মেথি ১/২ টেবিল চামচ

কাঁচা মরিচ ৪ টি

মাখন ১/২ টেবিল চামচ

রন্ধন প্রণালী:

প্রথমে বাদামগুলি আর কিসমিস গরম জলে ভিজিয়ে মিহি করে বেটে নিতে হবে। এরপরে মুরগীর টুকরোগুলিকে লবন, আদা-রসুন বাটা, হলুদ দিয়ে মেরিনেট করে রাখতে হবে(ঘন্টাখানেক পূর্বেই এটি শুরু করলে সহজ হবে)। এরপরে টুকরোগুলিকে ২০ মিনিট অল্প আঁচে সেদ্ধ করে উঠিয়ে রাখতে হবে।

এবারে খালি প্যানে মাখন, পিঁয়াজ বাটা, টক দই, বাদাম পেস্ট দিয়ে একটু গরম করে মুরগী দিয়ে মিশিয়ে ফেলতে হবে। সাথে পানি দিয়ে ৬/৭ মিনিট অপেক্ষা করতে হবে।

ফুটে এলে লবণ, কাঁচা মরিচ, আর মেথি মিশিয়ে ৩/৪ মিনিট অপেক্ষা করতে হবে।

ব্যাস, এবারে পরিবেশনের পালা। রুটি কিংবা পরটার সাথে জমবে বেশ।

উপসংহার 

এত চমৎকার গুণসম্পন্ন এই মেথির তাই বুঝি এত কদর। সেই প্রাচীনকাল থেকে আজ, মেথির আবেদন ফিকে হয়নি মোটেও। নিজের গুণ দিয়ে সে জায়গা করে নিয়েছে খাবারের পাত থেকে পথ্যের পসরায়।

তবে হ্যাঁ, এটি যে উদ্দেশ্যেই সেবন করা হোক না কেন খেয়াল রাখতে হবে এর যৎকিঞ্চিৎ যে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া তা যে শরীরে কোনোভাবেই প্রভাব না ফেলে। অর্থাৎ আবেগতাড়িত না হয়ে চিকিৎসকের পরামর্শ মোতাবেক এর সেবন বাঞ্ছনীয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button