হারবাল

যৌবন পুনর্গঠনের সেরা হার্বস ! নিজেই বানিয়ে নিন।

পুরুষত্বহীনতা, অর্থাৎ পুরুষের শারীরিক অক্ষমতা বা দুর্বলতা আজকাল প্রকট আকার ধারণ করছে। একদম তরুণ থেকে শুরু করে যে কোন বয়সী পুরুষের মাঝে দেখা যাচ্ছে এমন যৌন সমস্যা। অনেক পুরুষ অকালেই হারিয়ে ফেলছেন নিজের সক্ষমতা, উঠতি বয়সের যুবকরা রীতিমতো হতাশ হয়ে পড়ছেন। বাড়ছে দাম্পত্যে অশান্তি, সন্তানহীনতার হার। এবং সত্যি বলতে কি বাড়ছে ডিভোর্সও। এসব দেখে আর ভাল্লাগেনা। তাই সংক্ষেপে পরিচয় করিয়ে দিবো, যৌবন পুনর্গঠনের সেরা হার্বস এর সাথে ।

শতমুলঃ

শতমুলকে যত্রতত্র দেখা পাওয়া ভার। যারা পেশায় কবিরাজ তারা ভেষজ চিকিৎসার জন্য নিজেদের আঙিনায় এই উদ্ভিদকে সংরক্ষণ করে রেখেছেন। নাতিশীতষ্ণ পরিবেশই এর মূল স্থান। গাছের গোঁড়াতে অক্টোবর মাসের দিকে মূল ধরতে শুরু করে। জানুয়ারি মাসে গাছে সবুজ রঙের ফল দেখা যায়, তবে পাকলে লাল হয়ে যায়। শতমুলের মূলটাই হল আসল। এই মূলের রস ঔষধ হিসেবে নানা রোগে ব্যবহৃত হয়। লিউকোরিয়া, বদহজম, গনোরিয়া, ধাতুরোগ, গ্যাসটিক, আমাশয়, ডায়রিয়া, ব্যাথা উপশমসহ নার্ভের দূর্বলতায় শতমূল অধিক কার্যকরী।

দেখে নিন কি কি উপকার করে আলকুশি:

১) কোন পোকা মাকড়ের কামড়ে বা বিছের দংশনে আলকুশীর বীজের গুড়া লাগালে অনেক যন্ত্রণা কমে যায়।
২) এর শিকড়ের রস এক চামচ করে একমাস খেলে আমাশয় রোগ সারে।
৩) আলকুশির পাতার রস ফোঁড়ায় দিলে অচিরেই সেটি ফেটে যায়।
৪) এর বীজ চিনি ও দুধসহ সেদ্ধ করে খেলে বাত রোগের উপশম হয়, শারীরিক দুর্বলতা দূর হয়, শুক্র বৃদ্ধি ও গাঢ় হয় এবং স্নায়বিক দুর্বলতা দূর করে।
৫) এর শিকড়ের রসে জ্বর, সর্দি-কাশি ভালো করে।
৬) আলকুশির শিকড়ের মণ্ডু মূত্রবর্ধক ও মূত্রযন্ত্রের রোগ নিরাময়ে বেশ উপকার।
৭) এর কাণ্ডের রস চোখের রোগের ক্ষেত্রেও ফলপ্রসূ।
৮) শিকড়ের রস জীবজন্তুর গায়ের ঘায়ে লাগালে ক্ষত দ্রুত সরে যায়।

অশ্বগন্ধাঃ

অশ্বগন্ধার বহু উপকারিতা এবং ব্যবহার আছে। তবে এটি প্রাথমিকভাবে মানসিক চাপ প্রতিরোধী থেরাপির জন্য ব্যবহৃত হয়। এর দুশ্চিন্তা নিরোধক উপাদানের সঙ্গে চিন এবং সাইবেরিয়ার জিনসেন এর তুলনা করা হয়। একটি বৈজ্ঞানিক গবেষণায় দেখা গিয়েছে, অশ্বগন্ধার ব্যবহারে দুশ্চিন্তা এবং মানসিক চাপের কারণে উদ্ভূত অবসাদ উল্লেখযোগ্যভাবে কমে।

এর অ্যাড্যাপ্টোজেনিক এবং পুষ্টিবর্ধক ক্ষমতার জন্য বিশেষভাবে তা সম্ভব হয়। বলতে হয়, এর অ্যাড্যাপ্টোজেনিক গুণ বহু মানসিক চাপ সম্পর্কিত রোগ, যেমন অকাল বার্ধক্য, উচ্চ রক্তচাপ (হাইপারটেনশন) এবং ডায়বিটিস প্রতিরোধে সহায়তা করে, ও যৌনদূর্বলতা দূর করে।

শিমুল মূলঃ

শিমুল মূলের উপকারিতা ও ভেষজ গুণাবলি
শিমুল শুক্রবর্ধক যাদের বীর্যে শুক্রানুসংখ্যা কম তাদের জন্য খুবই উপকারী, শ্বেত প্রদর ও অতিরিক্ত রক্তস্রাবে কার্যকর। বলকারক, কামোদ্দীপক, মলরোধক। মেছতা, উদরাময়ে অত্যান্ত কার্যকরী। প্রবাদে আছে, যার দেহের নাই কুল – সে খাবে শিমুল!

এছাড়াও আরও কিছু যৌবন পুনর্গঠনের সেরা হার্বস আছে যা আপনার যৌবনকে পুনর্গঠন করতে বা ধরে রাখতে ভূমিকা রাখবে – গুলঞ, ভূইকুমড়া, ডুমুর, লতা কস্তুরী। এগুলো খুব সহজেই বাজারের পুরাতন বানিয়াতির দোকান বা কবিরাজি দোকানে পাবেন। দামও তেমন একটা বেশী নয়! শুকিয়ে গুড়া করে, যেকোন বয়সীরা এটা নিস্বন্দেহে খেতে পারবেন। ভাল লাগলে শেয়ার করে ওয়ালে রেখে দিন। প্রয়োজনে অল্প সময়ে খুঁজে পাবেন। যেকোন পরামর্শে যোগাযোগ করতে পারবেন। চেস্টা করবো ভাল পরামর্শ দেয়ার।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

18 + six =

Back to top button